বিশেষ প্রতিনিধি
জাতীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেছেন, এ দেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচীর মাধ্যমে কৃষক ও কৃষিকে বাঁচিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। যে স্বপ্নের কারণে আজ দেশ খাদ্যে স্বনির্ভর হয়েছে। আর সে সময় কোন কোন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা বলেছিলেন জিয়ার রহমান খাল কেটে কুমির এনেছে। এ কথা বলে পরবর্তী সময়ে দেশে খাল খনন কর্মসূচী বন্ধ রাখা হয়েছিল। সে কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় থাকা খাল তার নাব্যতা হারিয়েছিল। ফলে কৃষিখাতে অনেক কষ্ট হয়েছে। কৃষকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কৃষকেরা যন্ত্রের মাধ্যমে পানি তুলে জমিতে আবাদ করেছেন। এ কারণে কৃষিতে ব্যয় বেড়েছে। এসব কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসেবে পুনরায় বাবার রেখে যাওয়া কর্মসূচী হাতে নিয়ে কৃষকদের আত্মনির্ভরতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা করছেন।
তিনি ২৫ এপ্রিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক শুভাশীষ কর্মকার, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সহসভাপতি আলী এজাজ খান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম, মহেড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন, ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহীদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওমর এন্টার প্রাইজের প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী খাল খননের কারণে এলাকাবাসীর ঘর-বাড়ি ও আবাদী জমি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুর থেকে ভাতকুড়া পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার খালটি ১ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে পুনঃখনন করা হবে। আগামী ২০২৭ সালের জুন মাসে কাজ শেষ হবে।
এ সময় কর্মসূচীটির সফল সমাপ্তির জন্য দোয়া করা হয়।
জাতীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেছেন, এ দেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচীর মাধ্যমে কৃষক ও কৃষিকে বাঁচিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। যে স্বপ্নের কারণে আজ দেশ খাদ্যে স্বনির্ভর হয়েছে। আর সে সময় কোন কোন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা বলেছিলেন জিয়ার রহমান খাল কেটে কুমির এনেছে। এ কথা বলে পরবর্তী সময়ে দেশে খাল খনন কর্মসূচী বন্ধ রাখা হয়েছিল। সে কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় থাকা খাল তার নাব্যতা হারিয়েছিল। ফলে কৃষিখাতে অনেক কষ্ট হয়েছে। কৃষকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কৃষকেরা যন্ত্রের মাধ্যমে পানি তুলে জমিতে আবাদ করেছেন। এ কারণে কৃষিতে ব্যয় বেড়েছে। এসব কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসেবে পুনরায় বাবার রেখে যাওয়া কর্মসূচী হাতে নিয়ে কৃষকদের আত্মনির্ভরতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা করছেন।
তিনি ২৫ এপ্রিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক শুভাশীষ কর্মকার, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সহসভাপতি আলী এজাজ খান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম, মহেড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন, ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহীদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওমর এন্টার প্রাইজের প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী খাল খননের কারণে এলাকাবাসীর ঘর-বাড়ি ও আবাদী জমি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুর থেকে ভাতকুড়া পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার খালটি ১ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে পুনঃখনন করা হবে। আগামী ২০২৭ সালের জুন মাসে কাজ শেষ হবে।
এ সময় কর্মসূচীটির সফল সমাপ্তির জন্য দোয়া করা হয়।
দিবাকর