জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার ভোরে তাঁকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে গণ–অভ্যুত্থানের সময় সহিংসতা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় করা একটি মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে দুই দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠায় ডিবি।
শেখ হাসিনার সরকারের পতনের ২৭ দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন সাবেক স্পিকার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর স্পিকার নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। তাঁকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হলে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এর পর থেকে টানা তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন। শিরীন শারমিন চৌধুরী রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।
শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনটি মামলায় ইতিমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন। বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন শিরীন শারমিন। সর্বশেষ তিনি ধানমন্ডিতে এক আত্মীয়ের বাসায় ছিলেন। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করা হয়।
গণ–অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অনেকেই সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত বছরের ২২ মে আশ্রয় গ্রহণকারীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। ওই তালিকায় শিরীন শারমিনের নামও ছিল।
শেখ হাসিনার সরকারের পতনের ২৭ দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন সাবেক স্পিকার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর স্পিকার নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। তাঁকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হলে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এর পর থেকে টানা তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন। শিরীন শারমিন চৌধুরী রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।
শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনটি মামলায় ইতিমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন। বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন শিরীন শারমিন। সর্বশেষ তিনি ধানমন্ডিতে এক আত্মীয়ের বাসায় ছিলেন। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করা হয়।
গণ–অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অনেকেই সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত বছরের ২২ মে আশ্রয় গ্রহণকারীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। ওই তালিকায় শিরীন শারমিনের নামও ছিল।
দিবাকর