ঢাকা |
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন। info@dailydibakar.com, dailydibakar@gmail.com

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান পুনরুজ্জীবিত, প্রশস্ত হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 20, 2025
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান পুনরুজ্জীবিত, প্রশস্ত হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ ছবির ক্যাপশন: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ভবন। উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া ছবি।
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন। info@dailydibakar.com, dailydibakar@gmail.com
দিবাকর ডেস্ক
সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরে এসেছে। ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে ১৪ বছর আগে দেওয়া রায় পুরোটাই বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। 
ওই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর ও এ-সংক্রান্ত রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করে ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিতে এ রায় দেন। রায়ে বলা হয়, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার–সম্পর্কিত বিধানাবলি এই রায়ের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত ও সক্রিয় করা হলো।
এই সংশোধনী বাতিল করে ২০১১ সালে রায় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। সেই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল এবং এ-সংক্রান্ত রিভিউ আবেদনের ওপর ১১ নভেম্বর শুনানি শেষ হয়। 
বেঞ্চের অপর ছয় সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
ত্রয়োদশ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৯ সালে একটি রিট করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ রায় দেন। সেই রায়ে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল থাকে।
এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে (৪: ৩) ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। এই রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১ সাল) আনা হয়।
এর আগে ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে দেশে সংবিধান অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার অধীন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। আর ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অধীন। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। তখন তিনি প্রধান বিচারপতির পদ ছেড়ে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
প্রশস্ত হবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান পুনরুজ্জীবিত করার রায়ে আনন্দিত হয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হবে। তিনি আদালতের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি অন্যতম আপিলকারী ছিলেন।
তিনি বলেন, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক যে রায় দিয়েছিলেন, তার মাধ্যমে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল। যার ফলে গত তিনটি নির্বাচন বিতর্কিত হয়েছে। 

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দিবাকর

কমেন্ট বক্স
জিয়া ও খালেদার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে মির্জাপুরের বিএনপি নেতা-ক

জিয়া ও খালেদার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে মির্জাপুরের বিএনপি নেতা-ক