বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৩ নভেম্বর রাতে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।
তাঁর হৃদ্যন্ত্র, লিভার, কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতা কাটছে না। সমস্যাগুলোর একটির সামান্য উন্নতি হলে অন্যটির অবনতি ঘটছে; যা কয়েক দিন ধরে নানা মাত্রায় উদ্বেগজনকভাবে ওঠানামা করছে। তবে চিকিৎসকেরা এখনো এই অর্থে আশাবাদী যে তাঁরা খালেদা জিয়াকে যে চিকিৎসা দিচ্ছেন, তিনি তা গ্রহণ করতে পারছেন। ওষুধ কাজ করছে। দেশের একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস হাসপাতালের চিকিৎসক এবং লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।
দলীয় সূত্র মতে, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থা না থাকলে তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরবেন। আজ বুধবার চীন ও যুক্তরাজ্য থেকে চিকিৎসকদের আরও দুটি দল ঢাকায় আসছে। খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে তাঁরা মতামত দেবেন। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরির পর সেটা স্বল্প দূরত্বের মধ্যে হলে সিঙ্গাপুরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে তারেক রহমান ওই দেশে যাবেন। আর যদি খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার পরিস্থিতি না থাকে, তারেক রহমান খুব দ্রুত দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন।
এছাড়া সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যান।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
বিএনপির নেতা ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্যতম এ জেড এম জাহিদ হোসেন মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, কাতার, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও ভারত খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় ইতিমধ্যে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে। তিনি যেকোনো ধরনের গুজব ছড়ানো এবং গুজবে কান না দেওয়ার জন্য খালেদা জিয়ার পরিবার এবং দলের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানান।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিন একাধিকবার হাসপাতালে যান। গতকাল বিকেলে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় তাঁকে অশ্রুসিক্ত দেখা যায়। এছাড়া হাসপাতালে যান জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, গোলাম আকবর খন্দকার, বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সহসাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের মধ্যেও চরম উৎকণ্ঠা রয়েছে। হাসপাতালের সামনের সড়কে প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদেরও উপস্থিতি রয়েছে।
তাঁর হৃদ্যন্ত্র, লিভার, কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতা কাটছে না। সমস্যাগুলোর একটির সামান্য উন্নতি হলে অন্যটির অবনতি ঘটছে; যা কয়েক দিন ধরে নানা মাত্রায় উদ্বেগজনকভাবে ওঠানামা করছে। তবে চিকিৎসকেরা এখনো এই অর্থে আশাবাদী যে তাঁরা খালেদা জিয়াকে যে চিকিৎসা দিচ্ছেন, তিনি তা গ্রহণ করতে পারছেন। ওষুধ কাজ করছে। দেশের একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস হাসপাতালের চিকিৎসক এবং লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।
দলীয় সূত্র মতে, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থা না থাকলে তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরবেন। আজ বুধবার চীন ও যুক্তরাজ্য থেকে চিকিৎসকদের আরও দুটি দল ঢাকায় আসছে। খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে তাঁরা মতামত দেবেন। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরির পর সেটা স্বল্প দূরত্বের মধ্যে হলে সিঙ্গাপুরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে তারেক রহমান ওই দেশে যাবেন। আর যদি খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার পরিস্থিতি না থাকে, তারেক রহমান খুব দ্রুত দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন।
এদিকে সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করার পর স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিরাপত্তা দেওয়া শুরু করেছে। গত মঙ্গলবার বেলা ২টা ২০ মিনিটের দিকে এসএসএফ সদস্যরা খালেদা জিয়াকে নিরাপত্তা দেওয়া শুরু করেন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
বিএনপির নেতা ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্যতম এ জেড এম জাহিদ হোসেন মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, কাতার, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও ভারত খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় ইতিমধ্যে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে। তিনি যেকোনো ধরনের গুজব ছড়ানো এবং গুজবে কান না দেওয়ার জন্য খালেদা জিয়ার পরিবার এবং দলের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানান।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিন একাধিকবার হাসপাতালে যান। গতকাল বিকেলে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় তাঁকে অশ্রুসিক্ত দেখা যায়। এছাড়া হাসপাতালে যান জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, গোলাম আকবর খন্দকার, বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সহসাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের মধ্যেও চরম উৎকণ্ঠা রয়েছে। হাসপাতালের সামনের সড়কে প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদেরও উপস্থিতি রয়েছে।
দিবাকর