বিনোদন প্রতিবেদক
ভলিউডের কয়েকজন অভিনেতার সাবলীল অভিনয় এক সময় আঁকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা ছিল। মুগ্ধ হয়েছেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। তাঁদের মধ্যে অনেকেই খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান করা অবস্থাতেই হাজারো দর্শক-ভক্তদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যদের কথা জানুন।
চিত্রনায়ক জসিম
চিত্রনায়ক জসিম
তিনি ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে মারা যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে গেছেন। চলচ্চিত্রে তিনিই প্রথম মারপিট শুরু করেন। তাঁর আসল নাম তার আবদুল খায়ের জসিম উদ্দিন। খলনায়ক চরিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করলেও পরবর্তীতে নায়ক হিসেবেও সফলতা পেয়েছিলেন। দেওয়ান নজরুল পরিচালিত দোস্ত দুশমন সিনেমায় প্রথম অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয়। উল্লেখযোগ্য সিনেমা রংবাজ, রাজ দুলারী, দোস্ত দুশমন, তুফান, জবাব, নাগ নাগিনী, বদলা, বারুদ, সুন্দরী, কসাই, লালু মাস্তান, নবাবজাদা, অভিযান, কালিয়া, বাংলার নায়ক, গরিবের ওস্তাদ, ভাইবোন, মেয়েরাও মানুষ ইত্যাদি। উল্লেখযোগ্য সিনেমার কয়েকটি হচ্ছে পরিবার, রাজা বাবু, বুকের ধন, স্বামী কেন আসামি, লাল গোলাপ, দাগী, টাইগার, হাবিলদার।
জসিমের প্রথম স্ত্রী ছিলেন সুচরিতা। পরে তিনি ঢাকার প্রথম সবাক সিনেমার নায়িকা পূর্ণিমা সেনগুপ্তার মেয়ে নাসরিনকে বিয়ে করেন।
চিত্রনায়ক জাফর ইকবাল
জসিমের প্রথম স্ত্রী ছিলেন সুচরিতা। পরে তিনি ঢাকার প্রথম সবাক সিনেমার নায়িকা পূর্ণিমা সেনগুপ্তার মেয়ে নাসরিনকে বিয়ে করেন।
চিত্রনায়ক জাফর ইকবাল
জাফর ইকবাল ছিলেন নন্দিত চিত্রনায়ক । তিনি সংগীত শিল্পী, অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি ক্যান্সারে হলে হার্ট এবং কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। ১৯৯২ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি না মারা যান।
জাফর ইকবাল ১৯৬৬ সালে প্রথম একটি ব্যান্ড দল গড়ে তোলেন এবং তার প্রথম সিনেমায় গাওয়া গান ছিল ‘পিচ ঢালা পথ’। জাফর ইকবাল এর কণ্ঠে ‘হয় যদি বদনাম হোক আরো’ গানটি একসময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বাংলা চলচ্চিত্রের স্টাইলিশ নায়কদেরও অন্যতম তিনি। তাঁর প্রথম সিনেমার নাম আপন পর। এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন কবরী। জাফর ইকবালের-ববিতা জুটি প্রায় ৩০টির মত সিনেমা হয়। তিনি প্রায় ১৫০টি সিনেমা করেন।
চিত্রনায়ক সালমান শাহ
জাফর ইকবাল ১৯৬৬ সালে প্রথম একটি ব্যান্ড দল গড়ে তোলেন এবং তার প্রথম সিনেমায় গাওয়া গান ছিল ‘পিচ ঢালা পথ’। জাফর ইকবাল এর কণ্ঠে ‘হয় যদি বদনাম হোক আরো’ গানটি একসময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বাংলা চলচ্চিত্রের স্টাইলিশ নায়কদেরও অন্যতম তিনি। তাঁর প্রথম সিনেমার নাম আপন পর। এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন কবরী। জাফর ইকবালের-ববিতা জুটি প্রায় ৩০টির মত সিনেমা হয়। তিনি প্রায় ১৫০টি সিনেমা করেন।
চিত্রনায়ক সালমান শাহ
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বহুল আলোচিত ও সুদর্শন নায়ক ছিলেন সালমান শাহ। সালমান শাহের আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। জনপ্রিয় এই নায়ক নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশে সাড়া জাগানো অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যু নিয়ে কেউ কেউ অভিযোগ করে যে তাঁকে হত্যা করা হয়। তিনি ১৯৭১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ২৭টি চলচ্চিত্র অভিনয় করেন তিনি। এ ছাড়াও টেলিভিশনে তার অভিনীত বেশ কয়েকটি নাটক প্রচারিত হয়। ১৯৯৩ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি পায়। একই সিনেমায় নায়িকা মৌসুমী ও গায়ক আগুনের অভিষেক হয়।
চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী
চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী
জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীকে ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাত দুইটার দিকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় আততায়ীর ছোড়া গুলিতে তাঁর বন্ধু আবুল কালামও নিহত হন। এ সময় আজাদ (৩৫) এবং ট্রাম্পস ক্লাবের কর্মচারী নিরব (২৫) ও দাইয়ান (৩৫) আহত হন। গুলির ঘটনার পরপরই জনতা আদনান সিদ্দিকী নামের এক সন্ত্রাসীকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনার স্থান ট্রাম্পস ক্লাব সোহেল চৌধুরীর বাসা থেকে দুরত্ব ২৫-৩০ গজের মতো। তার স্বজন ও সহকর্মীরা আজও ভোলেননি তাঁকে।
চিত্রনায়ক মান্না
চিত্রনায়ক মান্না
আম্মাজান সিনেমা খ্যাত জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মান্না ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি আকস্মিকভাবে সবাইকে কাঁদিয়ে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। মৃত্যুর আগের দিন রাতেও শুটিং করেছেন তিনি। হঠাৎ মধ্যরাতে বুকে ব্যথা অনুভব করলে সহকারীকে নিয়ে নিজে গাড়ি চালিয়ে উত্তরার বাসা থেকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে যান তিনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ঘোষণা দেন মান্না আর নেই।
১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন মান্না। তার আসল নাম আসলাম তালুকদার মান্না। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করার পরই ১৯৮৪ সালে তিনি ‘নতুন মুখের সন্ধানে’র মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। এরপর থেকে একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে সেরা নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনে তার শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন। সমগ্র চলচ্চিত্র জীবনে তিনি ২০০ এর অধিক সিনেমায় অভিনয় করেন। রীতিমতো যুদ্ধ করেছেন অশ্লীল চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে। দাঙ্গা, লুটতরাজ, তেজী, আম্মাজান, আব্বাজান প্রভৃতি চলচ্চিত্রে চমৎকার অভিনয় এর মাধ্যমে জনপ্রিয়তার চূড়া ছুঁয়েছিলেন মান্না। তার অভিনীত আম্মাজান চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের সর্বাধিক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন মান্না। তার আসল নাম আসলাম তালুকদার মান্না। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করার পরই ১৯৮৪ সালে তিনি ‘নতুন মুখের সন্ধানে’র মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। এরপর থেকে একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে সেরা নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনে তার শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন। সমগ্র চলচ্চিত্র জীবনে তিনি ২০০ এর অধিক সিনেমায় অভিনয় করেন। রীতিমতো যুদ্ধ করেছেন অশ্লীল চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে। দাঙ্গা, লুটতরাজ, তেজী, আম্মাজান, আব্বাজান প্রভৃতি চলচ্চিত্রে চমৎকার অভিনয় এর মাধ্যমে জনপ্রিয়তার চূড়া ছুঁয়েছিলেন মান্না। তার অভিনীত আম্মাজান চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের সর্বাধিক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
দিবাকর