দিবাকর রিপোর্ট
সারাদেশের সঙ্গে ২০ এপ্রিল সোমবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শিশুদের হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে। এতে উপজেলার ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী ৩৮ হাজার ৭৭৮ জন শিশুকে টিকা দেয়া হবে। জাতীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর উদ্বোধন করবেন। শিশুদের টিকা প্রদানের সঙ্গে ভিটামিন এ ক্যাপসুলও খাওয়ানো হবে।
রোববার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত সমন্বয় সভা হয়। মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম তথ্যগুলো জানিয়ে বলেন, উপজেলার ৩১৩টি টিকা কেন্দ্রে শিশুদের টিকা দেয়া হবে। এ কাজে ৪১ জন টিকাদান সুপারভাইজার ও ৬২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। যা আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে।
অনুষ্ঠানে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীব, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বাবুল আকতার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সহিনুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ইউএনও খান সালমান হাবীব জানতে পারেন গত শুক্রবার উপজেলার সবগুলো মসজিদে জুম্মার নামাজের আগে টিকাদান ক্যাম্পেইন নিয়ে খতিবদের আলোচনার কথা ছিল। যাতে মুসুল্লিরা দ্রুত বিষয়টি জানতে পারেন। তবে কোন মসজিদেই তা করা হয়নি। এ নিয়ে ইউএনও সভাস্থল থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মির্জাপুরের ফিল্ড সুপারভাইজ বদরুল ইসলামের ফোনে কল করেন। তিনি তাঁর কাছে মসজিদে আলোচনা না হওয়ার কারণ জানতে চান। এসময় তিনি তাঁকে ভর্ৎসনা করেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র মতে, দেশে হাম ও হাম সন্দেহে মৃত্যুর পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন চালু করে সরকার। এর আগে দেশের ঝূঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০ উপজেলা, ১৪ পৌরসভা ও চার সিটি কর্পোরেশনে টিকা দেওয়া হয়েছিল। এখন এর বাইরের এলাকাগুলোতেও টিকা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।
ডা. ফরিদুল ইসলাম জানান, হাম ও রুবেলা নির্মূল করা এবং শিশুদের এই রোগগুলো থেকে সুরক্ষা প্রদান করাই টিকাদানের উদ্দেশ্য। ক্যাম্পেইনের টিকা গ্রহণের আগে বা পরে কমপক্ষে ২৮ দিন অন্য কোনো টিকা নেওয়া যাবে না।
সারাদেশের সঙ্গে ২০ এপ্রিল সোমবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শিশুদের হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে। এতে উপজেলার ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী ৩৮ হাজার ৭৭৮ জন শিশুকে টিকা দেয়া হবে। জাতীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর উদ্বোধন করবেন। শিশুদের টিকা প্রদানের সঙ্গে ভিটামিন এ ক্যাপসুলও খাওয়ানো হবে।
রোববার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত সমন্বয় সভা হয়। মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম তথ্যগুলো জানিয়ে বলেন, উপজেলার ৩১৩টি টিকা কেন্দ্রে শিশুদের টিকা দেয়া হবে। এ কাজে ৪১ জন টিকাদান সুপারভাইজার ও ৬২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। যা আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে।
অনুষ্ঠানে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীব, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বাবুল আকতার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সহিনুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ইউএনও খান সালমান হাবীব জানতে পারেন গত শুক্রবার উপজেলার সবগুলো মসজিদে জুম্মার নামাজের আগে টিকাদান ক্যাম্পেইন নিয়ে খতিবদের আলোচনার কথা ছিল। যাতে মুসুল্লিরা দ্রুত বিষয়টি জানতে পারেন। তবে কোন মসজিদেই তা করা হয়নি। এ নিয়ে ইউএনও সভাস্থল থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মির্জাপুরের ফিল্ড সুপারভাইজ বদরুল ইসলামের ফোনে কল করেন। তিনি তাঁর কাছে মসজিদে আলোচনা না হওয়ার কারণ জানতে চান। এসময় তিনি তাঁকে ভর্ৎসনা করেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র মতে, দেশে হাম ও হাম সন্দেহে মৃত্যুর পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন চালু করে সরকার। এর আগে দেশের ঝূঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০ উপজেলা, ১৪ পৌরসভা ও চার সিটি কর্পোরেশনে টিকা দেওয়া হয়েছিল। এখন এর বাইরের এলাকাগুলোতেও টিকা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।
ডা. ফরিদুল ইসলাম জানান, হাম ও রুবেলা নির্মূল করা এবং শিশুদের এই রোগগুলো থেকে সুরক্ষা প্রদান করাই টিকাদানের উদ্দেশ্য। ক্যাম্পেইনের টিকা গ্রহণের আগে বা পরে কমপক্ষে ২৮ দিন অন্য কোনো টিকা নেওয়া যাবে না।
দিবাকর