দিবাকর ডেস্ক
দীর্ঘ প্রায় চার বছর পরও টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সিংজুরী বিলের সেতু থেকে বর্ধন পাড়া পর্যন্ত ৮০০ মিটার পাকা রাস্তার কাজ শেষ হয়নি। এতে ওই এলাকা ও আশেপাশের প্রায় ১০ গ্রামের মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ২০২২ সালের এপ্রিলে গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য দরপত্র আহবানের পর ঢাকার উত্তরা এলাকার মেসার্স জে এস এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদার কাজটি পান। প্রায় ৮৩ লাখ টাকা ব্যায়ের কাজটি একই বছরের ১ আগস্ট শেষ করতে কার্যাদেশ দেয়া হয়। সে সময় ঠিকাদার রাস্তাটি উঁচু করতে কিছু এলাকায় মাটি ভরাট করে কাজ ফেলে রাখেন। এতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ শুরু হয়। পরবর্তীতে কাজের সময় বৃদ্ধি ও থেকে থেকে কিছু কাজ করলেও ঠিকাদার তা শেষ করেননি।
এদিকে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর গত বছরের ৯ মার্চ প্রকল্প পরিচালক মোল্লা মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে টাঙ্গাইলের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঠিকাদারের পারফরমেন্ড সিকিউরিটি বাজেয়াপ্তকরণসহ চুক্তি বাতিলের অনুমোদন করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তা বাতিল হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় দুই মাস আগে ঠিকাদারের লোকজন রাস্তাটিতে বালু ফেলতে দুই পাশে আধা ফুট করে উঁচু রেখে মাঝখানে আড়াই থেকে তিনফুট করে কেটে গর্ত করে রাখে। কিছু অংশে বালু ফেললেও তা সমান করা হয়নি। আর কিছু অংশে বালুর ফেলে সমান করা হয়েছে। এতে মানুষের চলাচলে মারত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ধনপাড়া গ্রামের মো. তৌফিক হাসান বলেন, রাস্তাটি দিয়ে বর্ধনপাড়া, চুহাত্তর, নিলজা, রোয়াইল, অষ্টমৈসাসহ আশেপাশের অন্তত ১০ গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। এই রাস্তায় স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়, মির্জাপুর সদরের উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও হাসপাতালে লোকজন যাতায়াত করে থাকেন। রাস্তার কাজ শুরুর রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স চলতো। কৃষকেরা উৎপাদিত পন্য বাজারজাত করেন। রাস্তাটি আগে নীচু থাকলেও ভাল ছিল। পাকা রাস্তার অজুহাতে এলাকাবাসীকে ঠিকাদার যে কতটুকু দুর্ভোগে ফেলেছেন তার সীমা নেই। রাস্তাটির কাজ শেষ করতে তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তাতে লাভ হচ্ছে না।
সাইফুল ইসলাম নামে সিএনজি চালিত এক অটোরিকশা চালক জানান, রাস্তাটি তাঁদের ব্যপক দুর্ভোগে ফেলেছে। যাতায়াতে সমস্যার কারণে আয় কমে গেছে।
মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন বলেন, ঠিকাদারকে রাস্তার কাজ করতে বলা হয়েছে। তিনি পুনরায় কাজ শুরু করেছেন।
মুঠোফোনে ঠিকাদার মো. সুমন আলী বলেন, ‘আমরা টাঙ্গাইলে আটটি কাজ পেয়েছিলাম। এর মধ্যে মির্জাপুরের দুইটি কাজের মধ্যে একটি শেষ পর্যায়ে। বর্ধনপাড়া রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করতে বালু ফিলিং শেষ করা হয়েছে। ঈদের পর পাকাকরণ করা হবে।’
দীর্ঘ প্রায় চার বছর পরও টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সিংজুরী বিলের সেতু থেকে বর্ধন পাড়া পর্যন্ত ৮০০ মিটার পাকা রাস্তার কাজ শেষ হয়নি। এতে ওই এলাকা ও আশেপাশের প্রায় ১০ গ্রামের মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ২০২২ সালের এপ্রিলে গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য দরপত্র আহবানের পর ঢাকার উত্তরা এলাকার মেসার্স জে এস এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদার কাজটি পান। প্রায় ৮৩ লাখ টাকা ব্যায়ের কাজটি একই বছরের ১ আগস্ট শেষ করতে কার্যাদেশ দেয়া হয়। সে সময় ঠিকাদার রাস্তাটি উঁচু করতে কিছু এলাকায় মাটি ভরাট করে কাজ ফেলে রাখেন। এতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ শুরু হয়। পরবর্তীতে কাজের সময় বৃদ্ধি ও থেকে থেকে কিছু কাজ করলেও ঠিকাদার তা শেষ করেননি।
এদিকে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর গত বছরের ৯ মার্চ প্রকল্প পরিচালক মোল্লা মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে টাঙ্গাইলের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঠিকাদারের পারফরমেন্ড সিকিউরিটি বাজেয়াপ্তকরণসহ চুক্তি বাতিলের অনুমোদন করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তা বাতিল হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় দুই মাস আগে ঠিকাদারের লোকজন রাস্তাটিতে বালু ফেলতে দুই পাশে আধা ফুট করে উঁচু রেখে মাঝখানে আড়াই থেকে তিনফুট করে কেটে গর্ত করে রাখে। কিছু অংশে বালু ফেললেও তা সমান করা হয়নি। আর কিছু অংশে বালুর ফেলে সমান করা হয়েছে। এতে মানুষের চলাচলে মারত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ধনপাড়া গ্রামের মো. তৌফিক হাসান বলেন, রাস্তাটি দিয়ে বর্ধনপাড়া, চুহাত্তর, নিলজা, রোয়াইল, অষ্টমৈসাসহ আশেপাশের অন্তত ১০ গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। এই রাস্তায় স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়, মির্জাপুর সদরের উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও হাসপাতালে লোকজন যাতায়াত করে থাকেন। রাস্তার কাজ শুরুর রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স চলতো। কৃষকেরা উৎপাদিত পন্য বাজারজাত করেন। রাস্তাটি আগে নীচু থাকলেও ভাল ছিল। পাকা রাস্তার অজুহাতে এলাকাবাসীকে ঠিকাদার যে কতটুকু দুর্ভোগে ফেলেছেন তার সীমা নেই। রাস্তাটির কাজ শেষ করতে তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তাতে লাভ হচ্ছে না।
সাইফুল ইসলাম নামে সিএনজি চালিত এক অটোরিকশা চালক জানান, রাস্তাটি তাঁদের ব্যপক দুর্ভোগে ফেলেছে। যাতায়াতে সমস্যার কারণে আয় কমে গেছে।
মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন বলেন, ঠিকাদারকে রাস্তার কাজ করতে বলা হয়েছে। তিনি পুনরায় কাজ শুরু করেছেন।
মুঠোফোনে ঠিকাদার মো. সুমন আলী বলেন, ‘আমরা টাঙ্গাইলে আটটি কাজ পেয়েছিলাম। এর মধ্যে মির্জাপুরের দুইটি কাজের মধ্যে একটি শেষ পর্যায়ে। বর্ধনপাড়া রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করতে বালু ফিলিং শেষ করা হয়েছে। ঈদের পর পাকাকরণ করা হবে।’
দিবাকর